Home অফবিট পাঁচমিশালি মানবতার নজির! ৭লক্ষ টাকার সোনা সহ টাকা ভর্তি ব্যাগ পেয়েও তা ফিরিয়ে দিলেন অটোচালক

মানবতার নজির! ৭লক্ষ টাকার সোনা সহ টাকা ভর্তি ব্যাগ পেয়েও তা ফিরিয়ে দিলেন অটোচালক

পৃথিবীতে যদি সব মানুষেরা অসৎ হয়ে যেত, তাহলে হয়তো অচিরেই ধ্বং’স হয়ে যেত পৃথিবী। ম’হা’মারীর মধ্যেও মানুষ শুধুমাত্র ভালো দিনের আশায় বেঁচে থাকে।ম’হা’মারীর মধ্যেও আমরা বুঝতে পারি যে এই পৃথিবীতে রয়েছে কিছু সৎ এবং ভালো মানুষ।

Web content writing training Online

পুনের একটি ঘটনা এই কথাটাই আবারও প্রমাণ করে দিলে সকলের সামনে। মহা’মা’রীর প্রাক্কালে যেখানে মানুষের হাতে একেবারেই টাকা নাই। আগামীকাল কি হবে তা আজ মানুষ জানে না। কারোর কাছে কোন সাহায্য পাওয়া যায় না। প্রতিদিন অস্বস্তিকর পরিবেশ এর মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

 

রইমধ্যে আচমকা এবং অযাচিতভাবে একজন ৬০ বছরের বৃদ্ধ অটোচালকের হাতে এসেছিল প্রায় কুড়ি হাজার টাকা এবং ৬০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না ভর্তি ব্যাগ। এই অবস্থায় হয়তো অন্য কেউ থাকলে সেই ব্যক্তিকে ফেরত দেবার কথা ভাবতেই পারতেন না।

এই ব্যাগ টি অটো চালক যদি বাড়ি নিয়ে চলে যেতেন তাহলে তাকে আর সারা জীবন কষ্ট করতে হত না। কিন্তু আগামীদিনের সুখের কথা চিন্তা না করে লোড বর্জন করে আসল ব্যক্তিকে সমস্ত টাকা এবং গয়না ফেরত দিয়ে দিলেন ওই অটোচালক।

বুধবার কাশিমনগর থেকে ভিত্তাল মাপারে নামে একজন ব্যক্তি র অটোতে উঠেছিলেন এক দম্পতি। উক্ত ব্যক্তি তার সহধর্মিণীর সঙ্গে অটোতে উঠে হাদাপাসর বাস স্ট্যান্ড অব্দি গিয়েছিলেন। অটো থেকে নেমে চলে যাবার পর তিনি অটোতে ভুলে গিয়েছিলেন তার ব্যাগ।\

 

মাপারের এর কথায়,”উনারা অটো থেকে নেমে যাবার পর আমি সোজা চলে যাই বি টি কামার রোডের দিকে। কিছুক্ষণ পরে আমার চোখে পড়ে যে আমার পিছনের সিটে একটি ব্যাগ পড়ে রয়েছে।

আমি সেই ব্যাগটি খুলে দেখি নি। ব্যাগটি নিয়ে আমি সোজা চলে যাই ঘোড়াপাদি চৌকির কাছে সাব ইন্সপেক্টর বিজয় কদম এর কাছে। সেখানে গিয়ে তাকে দিয়ে আসি ব্যাগটি।

সাব ইন্সপেক্টর বিজয় কদম এই বিষয়ে বলেন যে,”নিয়ম মেনে ব্যাগটি খোলার পর সেখানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং কুড়ি হাজার টাকা নগদ পাওয়া যায়। আমরা এরপর হাদাপসর পুলিশ স্টেশনের যোগাযোগ করি।দম্পতি এখানকার বাসিন্দার ফলে তাদের খুঁজে বের করা সহজ হয়েছিল আমাদের পক্ষে।

 

পুলিশ স্টেশনে ততক্ষণে ব্যাগ হারিয়ে যাবার অভিযোগ দায়ের করে ফেলেছিলেন ওই দম্পতি। এরপর মূন্দয়া পুলিশ স্টেশনে গিয়ে দম্পতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে অটোচালককে তার সৎ কাজের জন্য পুরস্কার এবং সম্মানিত করা হয়।

বৃদ্ধ অটোচালকের বাড়িতে রয়েছে শুধুমাত্র তার ছেলে। তিনি একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। ছেলেটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।অটোচালক টাকা এবং গয়না ফিরিয়ে দিতে পারে খুবই খুশি হয়েছেন, সঙ্গে খুশি হয়েছেন সম্মান এবং পুরস্কার পেয়ে।

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

সাফাই কর্মী ছাঁটাই নিয়ে বিক্ষোভ, উত্তেজনা মালদা মেডিক্যাল কলেজে

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এইসব সাফাই কর্মীরাই নিজেদের জীবন বাজি রেখে হ…