Home ভ্রমণ ও টুরিস্ট গাইড এবার পূজোয় ঘরে আসুন ধারে কাছেই অল্প খরচে!

এবার পূজোয় ঘরে আসুন ধারে কাছেই অল্প খরচে!

এবার পূজোয় নিজেকেও দিন ছুটি। ঘুরে আসুন অল্প কিছুদিনের জন্য কাছের কোনো জায়গা থেকে।এর ফলে মন হয়ে যাবে ফুরফুরে মাথা হয়ে যাবে পরিষ্কার।ফলে আবার মন বসাতে পারবেন রোজকার কাজে।াপনার সুবিধার জন্য সন্ধান দেওয়া হল কাছাকাছি তিনটে অসাধারণ সুন্দর জায়াগার।

Web content writing training Online

১। তাজপুর

নীলসাগর নিরিবিলি বেলাভূমি আর ঝাউগাছের সারি নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নতুন অহংকার তাজপুর। তাজপুর সাগর এলাকার প্রধান আকর্ষণ হলো এর নির্জনতা। তাজপুরের একপাশে দিঘা, শঙ্করপুর এবং অন্যদিকে মন্দারমনি সমুদ্র সৈকতের জমজমাট পরিবেশ। এরমাঝে শান্ত নির্জন তাজপুরের পুজোর কয়েকটা দিন কাটাতে বেশ ভালো লাগবে। সমুদ্রের ধারে ঝাউ গাছের আড়ালে রাখা থাকে রংবেরঙের নৌকো। তাজপুর সাগর বেলায় অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস এর আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তারা সেলিং, রিভার ক্রসিং, কোস্টার্স সাইক্লিং, প্যারাগ্লাইডিং, কায়াকিং, রাফটিং প্রভৃতি। তাজপুরের সমুদ্রের ধারে এখন বর্তমানে বেশ কিছু হোটেল হয়েছে। তাজপুরের ঝাউবন টি সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা।

কিভাবে যাবেনঃ

কলকাতা থেকে দীঘা গামী বাস এ নামতে হবে বালিসাই। বালিসাই থেকে গাড়ি করে আসতে হবে তাজপুর। কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়িতে যেতে চাইলে বালিসাই এর আগে আলমপুর ফিশারিজ মোড় থেকে বাঁ দিকে ঘুরে ৫ কিলোমিটার গেলেই তাজপুর। আর ট্রেনে করে এলে ১২৮৫৭ তামরালিপ্ত এক্সপ্রেস বা ১৮০০১কান্ডারী এক্সপ্রেস ধরে নামতে হবে রামনগর স্টেশনে। এরপর সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে যেতে হবে তাজপুর।

২। পিয়ালী দ্বীপ

দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার জনপ্রিয় উইকেন্ড স্পট হলো পিয়ালী দ্বীপ। কলকাতা থেকে মাত্র 75 কিলোমিটার। সুন্দরবনের অন্যতম প্রবেশপথ পিয়ালী। ছোট্ট নদী পিয়ালী এখানে এসে মিশে গেছে মাতলা নদীর বুকে। সুন্দর একটি রিসোর্ট গড়ে উঠেছে এখানে। মাতলা নদীতে নৌকো চেপে চলে যেতে পারেন ঝড়খালি। ঝড়খালি তে রয়েছে একটি নজর মিনার। পিয়ালী আইল্যান্ড ট্যুরিস্ট লজের নিজস্ব পুকুরে স্নান করতে পারেন এবং মাছ ধরতে পারেন।ল

কিভাবে যাবেনঃ

ককাতা থেকে সড়ক পথে আসতে হলে বারুইপুর- গোচারণ -ধোসা হয়ে আসতে হবে। মোটামুটি আড়াই ঘণ্টার পথ।

৩। মুকুটমনিপুর

কংসাবতী জলের মেঘের ছায়া দেখে আর কংসাবতী তে নৌবিহার করে কাটাতে পারেন মুকুটমণিপুরে। পাহাড় অরণ্য ঘেরা মনোরম পরিবেশ এখানে। এখানে আছে কংসাবতী নদীর উপর মাটি দিয়ে নির্মিত ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ। গাড়ি বা রিস্কা ভাড়া করে দেখে নিতে পারেন ৬ কিলোমিটার দূরে জৈন তীর্থঙ্কর পরেশনাথের মূর্তি ও বিশাল শিবলিঙ্গ। এছাড়াও আছে অম্বিকানগর, রাজা রাইচরণ ধবল দেবের রাজবাড়ী, সাবিত্রী মন্দির, ডিয়ার পার্ক। ঘুরে দেখে নিন কংসাবতী ও কুমারী নদীর সঙ্গম।

কিভাবে যাবেনঃ

কলকাতা থেকে মুকুটমনিপুর ৩৩০ কিলোমিটার। বাসের সময় লাগে ৭-৮ ঘণ্টা এবং ট্রেনে যেতে হলে হাওড়া শালিমার স্টেশন থেকে ১২৮৮৩ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস কিংবা ১২৮২৭ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস ধরে চলে আসতে হবে বাঁকুড়া। এরপর বাঁকুড়া থেকে খাত্রা হয়ে মুকুটমনিপুর এর দূরত্ব ৫৬কিলোমিটার।

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

ভ্রমণে যাওয়ার আগে জেনে নিন ব্যাগ গোছানোর টিপস!

ভ্রমণে যাবার আগে যে বিশাল প্রস্তুতিটা নিতে হয় তা হল ব্যাগ গোছানো। আরও অনেক প্রস্তুতি থাকল…