আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় এই পৃথিবীতে সবচেয়ে মুল্যবান এবং দামি জিনিস কি তাহলে আপনি কিসের নাম বলবেন
বেশির ভাগ মানুষের মাথাতেই হিরের কথা আসবে ।
কিন্তু আজ আমি কিছু জিনিসের নাম বলব যার দাম হয়তো আপনি কখনো কল্পনা ও করতে পারেন নি ।
যারা রমজান মাসে জিনিসের হালকা দাম বারানোর কারোনে দাম শুনে আতকে ওঠেন তাদের জন্য এগুলো নয়।
আজ আমি ৭টি যে দামি ওষুধের নাম এবং এমন সব পদার্থের নাম বলবো তা পৃথিবীকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
তাহলে ,৭ম নাম্বার দিয়েই শুরু করা যাক।

Web content writing training Online

৭ম নাম্বাররে,  আমি যে জিনিসের নাম বলব এটি হচ্ছে প্লুটিনিয়াম। সবচেয়ে বেশি পারমানবিক সংখ্যা করা প্লউটিনিয়ামের এক গ্রামের দাম ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
এটা তীব্র রেডিও একটিভ পদার্থ। নিউক্লিইয়ার হাতিয়ার বানাতে এটা ব্যবহার করা হয়। যেসব জায়গায় ইউরোনিয়াম পাওয়া যায় সেই সব জায়গায় প্লুটিনিয়াম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যদি  আপনি এটা  কিনাতে চান তাহলে আপনার মাথায় রাখতে হবে যে এটা ঘরে আনার সাথে সাথেই আপনার দরজায় বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দারা আপনার খোজ খবর নেয়া শুরু করে দিবে ।
কারন এটা শুধু ল্যাবে রাখা হয়। এটার কাছে গেলেই মানুষের ডি এন এ পরিবর্তন হওয়া শুরু করে।

এবার ৬ নাম্বারে, যে জিনিসটার নাম বলব সেটি হচ্ছে একুলিজামাব। এটা এমন একটা ঔষধ যার এক গ্রামের দাম ২০ হাজার টাকা।এটাই পৃথিবীতে সবচেয়ে দামি ঔষধ বলে ধরা হয় । এটা বাজারে সোলারিস নামে বিক্রি করা হয়।
এটা এতটা দামি হওয়ার একটাই কারন হচ্ছে পৃথিবীতে দুইটা মারাত্তক রোগের চিকিৎসা এই ঔষধ দিয়েই হইয়ে থাকে।
তার ভিতর একটি ঔষধের নাম পারক্সিসমাল নোকারনাল হিমোগ্লোবিনুরা।
আরেকটি হলো ,”এটিপিকাল হেমোলিটিক ইউরেমিক সিন্ড্রোম”। এ রোগ গুলো মানুষের মস্তিস্ককে নষ্ট করে দেয়।
এই সব রোগে সোলারিসকেও ভরসা যাবে নাহ। ডাক্তাররা বলে যে ,এটা নিশ্চিত নাহ যে সোলারিস দিলে রোগী সুস্থ্য হয়ে যাবে।
কিন্তু এই রোগের জন্য শুধুমাত্র সোলারিসকেই ব্যবহার করা হয়।
এই রোগের ১ বছর চিকিৎসা করতে চাইলে প্রায় সারে চার কোটি টাকা খরচ হয়ে যাবে। যা সবাই এই ঔষধ ক্রয় করতে পারবে নাহ ।

৫ম নাম্বারে রয়েছে টেফিটি , দেখতে অনেক সুন্দর এবং হীরার চেয়ে ও দুর্লভ এবং দাম ও অনেক বেশি ।
এর এক গ্রামের দাম ১৭ লাখ টাকা। আলাদা আলাদা রং এ পাওয়া এই পদার্থ পুরো পৃথিবীতে তার একটি আলাদা পরিচিতি বানিয়ছে।এটা শুধু মাত্র শ্রীলংকাতে পাওয়া যায়। শুধুমাত্র সৌখিন মানুষেরা এটা নিজের কাছে রাখার শখ করতে পারেন।

৪র্থ নাম্বারে আসে ট্রিটিয়াম, হাইড্রোজেন বক্সে যে গ্যাস দেয়া হয় সেটা ট্রিটিয়াম দিয়ে তৈরী।
এই ট্রিটিয়ামের এক গ্রামের দাম ২৫ লাখ টাকার চেয়ে ও বেশি। পৃথিবীর কোনো ল্যাব এটা কৃত্তিম ভাবে বানাতে পারেনা।
ট্রিটিয়াম প্রাকৃতিক ভাবে কয়েকটা জায়গায় পাওয়া যায়। এর সামান্য পরিমান কিছু পানি থেকেও বের করা হয়েছে।
আপনি যদি এটা বানাতে চেস্ট করেন তাহলে এক গ্রাম ট্রিটিয়াম বানাতে আপনার ১০০ কোটি টাকার ও বেশি খরচ হবে।
এটা একটি রেডিও একটিভ এলিমেন্ট । অন্য সব রেডিও একটিভ পদার্থ থেকে এটি কম ক্ষতি করে। এটা রিসার্চ ও হাতিয়ার বানাতে ব্যবহৃত হয়।বলা হয় এর সামান্য পরিমান যদি কোনো টিউবলাইটে দেয়া হয় তাহলে ওই টিউবলাইট লাগাতার ২৫ লাখ বছর আলো দিবে।

৩য় নাম্বারে যেটা আছে এটা হচ্ছে কেলিফর্নিয়াম , এই জিনিসটার দাম এতোই বেশি যে আপনারা শুনে হয়তো বিশ্বাস করবেন নাহ।এর এক গ্রাম কিনতে হলে আপনাকে পুরো ৭০০ মিলিওন খরচ করতে হবে।তবে এটা মানব জাতীর জন্য অনেক বিপদ জনক পদার্থ বলে মানা হয়ে থাকে।
১৯৫০ সালে এটা একটা ল্যাবে বানানো হয়। যদি এটা এতোটাই বিপদজনক হয় তাহলে বিজ্ঞানিরা কেনো এটা বানাবে।
আসলে অনেক রেডিও একটিভ পদার্থ দিয়ে মানব জাতীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
হ্যা আপনারা ঠিকই শুনেছেন এই জীবন নেয়া পদার্থটি মানুষের জীবনও বাচায়। যেখানে অন্য সব রেডিও এক্টিভ পদার্থ হার মানে সেখানে কেলিফর্নিয়াম সফলতার সাথে করে ফেলে।
এমনকি ব্রেইন কেন্সারের জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়। এটা নিয়ে খুব কম স্টাডি হয়েছে কারন এটা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় নাহ।শুধু ল্যাবেই এটা বানানো স্বম্ভব । আর এটা অনেক ব্যয় বহুল।

২য় নাম্বারে রয়েছে whale Vomiting হ্যা ঠিকই শুনেছেন এটা তিমি মাছের বমি। এটা শুধু পুরুষ তিমি মাছের পেটে পাওয়া যায়।আপনারা হয়তো বিশ্বাস করবেন না পৃথিবীতে পারফিউমের সব চেয়ে ভাল ব্রান্ড গুলো তাদের পারফিউমে আমে আরো সুগন্ধির জন্য এটা ব্যবহার করে।মানুষ শুধু এর সুগন্ধি পছন্দ করে নাহ অনেকে আছে এটা খায়ে থাকে।

১ম নাম্বার বলার সময় হয়ে গেছে , এবার যার নাম বলবো এটা সব চেয়ে দামি পদার্থ।
এটা হচ্ছে এন্টিম্যটার , আমি যদি এই জিনিসটাকে অমুল্য বলি তাহলে বেশি সঠিক হবে। কারন এর দামে এতো গুলো শূন্য লাগনো আছে যে আমি নিজে গুনতে গুনতে হাপিয়ে গেছি।
এ পৃথিবীতে যদি সবচেয়ে দামি কিছু হয়ে থাকে তাহলে সেটি এন্টিম্যটার । এর এক গ্রামের দাম ১৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার। কিন্তু অবাক করার ক্তহা হলো এন্টিম্যটার সব জায়গায় রয়েছে।
তবে কেউ এটা দেখতে পারেনা। পৃথিবীতে ল্যাবে বিজ্ঞানিরা মিলে এটা খুব কম পরিমান তৈরি করেছে।

 

আরো পড়ুনঃ মাশরাফি অবসারের পর ইয়ং ক্রিকেটারদের নিয়ে অনেক কিছু ভেবে রেখেছেন

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

বিগত ২০ বছরে সব মানুষ ছিলেন না পৃথিবীতে! বাইরে থেকেও এলেন অনেকে

সারা দুনিয়ায় সবাই শেষ কবে একসঙ্গে থেকেছে জানেন? এই পৃথিবীর বুকে? দীর্ঘ দু’দশক আগে। আ…