গর্ভবর্তী মা রোজা রাখতেই পারেন কিন্তু এর জন্য তাকে কিছু নিয়মাবলিও মেনে চলতে হবে। এ সময়টা রোজা রাখা খুবই কষ্টকর। রোজা রাখতে গিয়ে খেয়াল রাখতে হবে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের কোনো প্রকার ক্ষতি যেন না হয়।গর্ভবতীদের যেহেতু বাড়তি পুষ্টির প্রয়োজন, তাই খাদ্য নির্বাচন করতে হবে অধিকতর ক্যালোরিসম্পন্ন। প্রয়োজন হলে মাকে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে হবে। তিন মাসের পর সাধারণত বমির ভাব কমে যায়। এই সময়ে গর্ভবতী মায়েরা রোজা রাখতে পারেন ।

Web content writing training Online

তাহলে এবার যেনে নেয়া যাক একজন গর্ভবর্তী মা রোজা রাখলে তার কি কি মেনে চলা উচিৎ ::::

#  সেহরিতে তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলবেন। প্রচুর পানি, শরবত ও ফলের রস পান করবেন। চা ও কফি এড়িয়ে চলবেন।

#  কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলতে হবে। শাকসবজি, পানি, ফলমূল সঠিক পরিমাণে খেলে এটা এড়ানো সম্ভব।

#  তবে, বেশি অসুবিধা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সিরাপ খাওয়া যেতে পারে। আবহাওয়ার কারণে গর্ভবতীর ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

#   খেজুর খাবেন বেশি। খেজুরে অনেক বেশি ক্যালরি ও খাদ্যগুণ বিদ্যমান। এছাড়া আম, কাঁঠাল, তরমুজ, বাঙ্গি, কলা, ডাব, নারিকেল ইত্যাদি ফল পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।

#  প্রতিদিন গোসল করে ত্বকের সমস্যা সমাধান করা যায়। হালকা জ্বর, কাশি ও অন্য যে কোনো অসুবিধায় অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

#  প্রতিদিন গোসল করে ত্বকের সমস্যা সমাধান করা যায়। হালকা জ্বর, কাশি ও অন্য যে কোনো অসুবিধায় অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

# যেসব খাবারে বুক জ্বালা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

পুজো হবে, নাকি হবে না ! দোটানায় কলকাতার আবাসনের দুর্গা পুজো !

 হবে, নাকি হবে না? কলকাতার আবাসনে এটাই পুজোর ভাবনা। আবাসনের অনেক আবাসিক দোটানায়! কেউ কেউ …