Home বিউটি, রূপচর্চা ও ফ্যাশন কীভাবে বাড়িতে বসেই করবেন ওয়াক্সিং!

কীভাবে বাড়িতে বসেই করবেন ওয়াক্সিং!

ওয়াক্সিং সম্ভবত লোম দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। আপনি দোকান থেকে ওয়াক্স করানোর জিনিস কিনে নিতে পারেন আবার বাড়িতেও সুগার ওয়াক্সিং ট্রিটমেন্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এখানে বাড়িতে আপনি কী করে সুগার ওয়াক্স ট্রিটমেন্ট তৈরি করে নিতে পারেন তার বর্ণনা দেয়া হল।

Web content writing training Online

১. যে ওয়াক্সটি দিয়ে চুল তুলবেন তা তৈরি করে নিন। ওয়াক্সটা যেন ঘন, কিন্তু চামড়ায় মাখানোর মত হয়। এক কাপ চিনি, আধ কাপ মধু এবং পানি নিন।

২. চিনি একটা পাত্রে ঢেলে ২-৩ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে নিন। চিনি সম্পূর্ণ গলে না যাওয়া পর্যন্ত সেটি জ্বাল দিন।

৩. চুলা থেকে পাত্রটি নামিয়ে তার সাথে মধু মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষন নাড়ুন এবং ঠাণ্ডা হতে দিন। ঠাণ্ডা না করলে ত্বক পুড়ে যেতে পারে।

৪. ভিতরে জন্মানো চুল ওয়াক্সিং দিয়ে আপনি তুলতে পারবেন না। তাই, কয়েকদিন লোমগুলো বড় হতে দিন, এরপর ওয়াক্স করলে সবচেয়ে বেশি চুল গোড়া থেকে উঠে আসবে।

৫. ওয়াক্স করার আগে ওই জায়গাগুলোর মৃত ত্বক পরিষ্কার করে নিন।

৬. ত্বক সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে বেবি পাউডার লাগিয়ে নিন। এটি ত্বক থেকে বাড়তি আর্দ্রতা শুষে নেবে, তাতে ওয়াক্স ও কাপড়টি চামড়ার সাথে ভালভাবে লাগতে পারবে।

৭. একটা আইস্ক্রিমের কাঁঠি বা স্প্যাচুলা ব্যবহার করে ওয়াক্সটি মাখিয়ে নিন। সবসময় চুল যেদিকে বাড়ে ওই দিকে ওয়াক্স লাগান তাতে সেটি ভালভাবে চামড়ার সাথে লেগে থাকবে আর বেশি চুল আঁটকাবে।

৮. অল্প একটু জায়গার ত্বকের উপর ওয়াক্স লাগান, বেশি জায়গা জুড়ে লাগালে কাজ শেষে ত্বক অপিরচ্ছন্ন হয়ে থাকবে।

৯. ওয়াক্স মাখানোর পর একটা সুতির স্ট্রিপ সেটির উপর চুল যেদিকে বাড়ে ওই দিকে ঘষে ঘষে চামড়ার সাথে লাগান। স্ট্রিপটি কয়েক সেকেন্ড রাখুন যাতে সেটি ওয়াক্সের সাথে ভালভাবে লেগে যায়।

১০. এবার যেদিকে লোম উঠে তার বিপরীত দিকে হ্যাঁচকা টান দিয়ে স্ট্রিপটি তুলে ফেলুন।

১১. ত্বকের বিভিন্ন স্থানে এই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি করুন।

১২. সম্পূর্ণ লোমহীন ত্বকের জন্য একটা রেজর দিয়ে বাকি রয়ে যাওয়া লোমগুলো পরিষ্কার করে ফেলুন। কারন ওয়াক্সিং করে ক্ষুদ্র লোমগুলো সম্পূর্ণ উঠানো যায় না।

১৩. পানি দিয়ে জায়গাটা ধুয়ে ফেলুন এবং তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।

১৪. ওয়াক্স করা জায়গাটায় হালকা ধরনের ময়েসচারাইজার ব্যবহার করুন। এর জন্য বেবি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

১৫. ওয়াক্স করার পরের কয়েকদিন অবশ্যই প্রতিদিন ত্বকের মৃত কোষগুল পরিষ্কার করবেন। এটা ভেতরে লোম হওয়া বন্ধ করে।

১৬. একই জায়গা বার বার ওয়াক্স করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে এবং সেখানে লাল লাল ফুসকুড়ি উঠতে পারে।

উপরে বর্ণিত প্রক্রিয়া সেলুনের ওয়াক্সিং কিট ও ওয়াক্সিং স্ট্রিপের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

এবার পূজোয় আপনার ঠোঁটও সেজে উঠুক নানান রঙে!

ঢাকে কাঠি পড়েছে, আর সেই ঢাকের আওয়াজ জানান দেয় বাঙালি দের শ্রেষ্ঠ পুজো দূর্গা পুজো প্রায় এস…