Home News কীভাবে বাঁচবেন সানস্ট্রোক থেকে? দেখে নিন উপায়!

কীভাবে বাঁচবেন সানস্ট্রোক থেকে? দেখে নিন উপায়!

গ্রীষ্মের সময় প্রচন্ড তাপদাহের কারণে সান স্ট্রোকের ঝুঁকি দেখা দেয়। সূর্যের তাপ যখন অনেক বেশি থাকে তখন দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে সান স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে।

Web content writing training Online

দিনকে দিন যে হারে তাপমাত্রা বাড়ছে সানস্ট্রোকের ঝুঁকি সাথে সাথে আরও বেড়ে যাচ্ছে।এ সময় অতিরিক্ত ঘাম হয়, শরীরে অনেক ক্লান্তিও বোধ হয়। তীব্র তাপের কারণে শরীরের তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায়। ঘামের কারণে শরীর থেকে অতিরিক্ত জল বেরিয়ে জলশূন্যতা দেখা দেয়।অনেককে বাঁচানো যায় আবার অনেকেই সাথে সাথে প্রানত্যাগ করে।তাই এই সাংঘাতিক রোগ থেকে বাঁচতে আগে থেকেই কিছু উপায় অবলম্বণ করুণ।

সানস্ট্রোকের বেশ কয়েকটি উপসর্গ রয়েছে।সেইগুলি লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় কারোর সানস্ট্রোক হয়েছে কি না।উপসর্গ গুলি হলঃ 

  • যদি প্রচণ্ড গরমের সময় কারো প্রচুর ঘাম হয় তাহলে বুঝতে হবে তিনি সানস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন।
  •  মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এই গুলোও সানস্ট্রোকের লক্ষন।
  • সানস্ট্রোক হলে শরীরের হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।সানস্ট্রোকে আক্রান্ত মানুষ খুব দ্রুত শ্বাস নেয়।
  • সানস্ট্রোক হলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাত বেড়ে যায়।
  • সানস্ট্রোক হলে আক্রান্তের শরীরে লাল রঙের র‌্যাশ দেখা যেতে পারে।

এই উপসর্গ গুলো দেখা গেলে তাহলে বুঝতে হবে কোনো ব্যক্তি সানস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময় ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরন করলে রোগী কিছুটা আরাম বোধ করবেন।

সেই পদ্ধতিগুলো হলোঃ 

১) পেঁয়াজের রস সানস্ট্রোকের জন্য দারুন উপকারী। রোগী অসুস্থ বোধ করলে কিছু পরিমান পেঁয়াজের রস আক্রান্তের কানে এবং বুকে লাগান। এটা শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে। এছাড়া কাঁচা পেঁয়াজ স্যালাডের সঙ্গে খেলেও উপকার পাওয়া যায়।

২) যখন অতিরিক্ত ঘাম হয় তখন শরীরে ইলেকট্রলাইটের ভারসাম্য হারায়। এই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এক গ্লাস জলে অল্প পরিমানে বেকিং সোডা মেশান। এতে সামান্য ফলের রস এবং লবণও মেশাতে পারেন। দশ মিনিট পর পর এই মিশ্রণটি পান করুন।

৩) ডাবের জল খেলে প্রাকৃতিকভাবেই সানস্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায়। অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে যে জল বেরিয়ে যায় ডাবের জল সেই ঘাটতি পূরণ করে।

৪) ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ অ্যালোভেরা জুস সানস্ট্রোকের জন্য খুব উপকারী।

৫) তেতুলের রসও সানস্ট্রোকের জন্য বেশ কার্যকরী। এজন্য কিছু তেতুল সিদ্ধ করে তাতে হলুদ এবং মধু মেশান। কারো শরীরে সানস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে এই মিশ্রণটি খাওয়ান। এটি রোগীকে সুস্থ হতে সাহায্য করে।

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

পুজো হবে, নাকি হবে না ! দোটানায় কলকাতার আবাসনের দুর্গা পুজো !

 হবে, নাকি হবে না? কলকাতার আবাসনে এটাই পুজোর ভাবনা। আবাসনের অনেক আবাসিক দোটানায়! কেউ কেউ …