Home Treatment সন্তান না হাওয়া দম্পতিরা কিভাবে IVF পদ্ধতি দ্বারা সন্তান লাভ করবেন ?

সন্তান না হাওয়া দম্পতিরা কিভাবে IVF পদ্ধতি দ্বারা সন্তান লাভ করবেন ?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগান্তকারী আবিস্কার IVF সম্পর্কে কিছু কথা !

Image result for ivf পদ্ধতি
GOOGLE

ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যত্ব  একটি গুরুতর সমস্যা। আমাদের দেশে এমন অনেক দম্পতি আছে যাদের ইচ্ছা থাকলেও সন্তান হয় না। গবেষকদের মতে, বর্তমান লাইফস্টাইলই এর জন্য দায়ী। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম, সুস্থ পরিবেশে থাকার অভাব, অবাধ যৌনজীবনই বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই চিকিৎসকদের সর্বপ্রথম পরামর্শ, সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সুস্থ জীবনযাপন করা অত্যন্ত জরুরি|সন্তান ধারণে বয়স একটা বড় ফ্যাক্টর। ২০ বছর বয়সে আপনি কীরকম জীবনযাপন করছেন, তা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে।

Web content writing training Online
Related image
GOOGLE

৩৫ বছরের মধ্যে মহিলারা গর্ভধারণ করতে পারলেই তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল।অতিরিক্ত বেশি কিংবা অতিরিক্ত কম ওজন বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ হতে পারে। কম ওজন হলে মহিলাদের হরমোনের ব্যালেন্স সঠিক থাকে না। ফলে গর্ভধারণে সমস্যায় পড়তে হয়।ধূমপান মহিলাদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমিয়ে দেয় | সিগারেট শরীরের ফ্যালোপাইন টিউবকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যা ডিম্বানু গর্ভে মসৃণভাবে পৌঁছাতে পারে না। এদিকে ধূমপান পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেন।

Image result for ivf পদ্ধতি
GOOGLE

গবেষকদের মতে, বন্ধ্যাত্ব থেকে দূরে থাকতে কম মদ্যপান করাই বুদ্ধিমানের কাজ। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই বিষয়টি প্রযোজ্য। হার্টের অসুখ, অ্যাজমা-সহ মানসিক রোগও হতে পারে। শুধু তাই নয়, বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণও দুশ্চিন্তা। মানসিক চাপ পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট ও স্পার্মের গুণাগুণ নষ্ট করে। এক্ষেত্রে মহিলাদের ডিম্বস্ফোটনে সমস্যা হয়|
বর্তমানে এই রোগের অনেক চিকিৎসা তৈরি হয়েছে এবং আমাদের দেশে অনেক ভালো চিকিৎসাও হচ্ছে।বর্তমানে সন্তান ধারনের ক্ষেত্রে বিস্ময়কর অনেক চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে | এমন ই একটি চিকিৎসা পদ্ধতি হলো আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) বা কাঁচের ভেতর নিষেক বা টেস্ট টিউব পদ্ধতি হচ্ছে মানবদেহের বাইরে শুক্রাণুর দ্বারা ডিম্বাণু নিষিক্ত করার পদ্ধতি।

GOOGLE

এই পদ্ধতির মাধ্যমে অনেক নিঃসন্তান নারী সন্তান লাভ করে থাকেন আবার অনেক নারী সারোগেসি বা নিজ গর্ভ ভাড়া দিয়ে তাতে অন্য দম্পতির নিষিক্ত ভ্রুণ (সন্তান) ধারণ ও লালন করেন। আই.ভি.এফ (IVF) বা টেস্ট টিউব চিকিৎসা পদ্ধতির সফল পদযাত্রা শুরু হয় ১৯৭৮ সালে যুক্তরাজ্যে লুইস ব্রাউনের জন্মের মধ্য দিয়ে। এই বাচ্চাটির ক্ষেত্রে নিষেক করা হয়েছিল একটি টেস্ট টিউবে। প্রকৃতপক্ষে ভ্রণ টেস্টটিউবে বেড়ে ওঠে না, বাড়ে মায়ের জরায়ুতেই আর দশটি বাচ্চার মতোই। এ পদ্ধতিতে পুরুষের শুক্রাণু আর নারীর ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণটুকুই শুধু স্বাভাবিক পদ্ধতিতে না হয়ে দেহের বাইরে হয়। স্ত্রীর ডিম্বপাত বা ওভুলেশনের সময় ডিম্বাণু যখন পরিপক্ক হয়, তখন তা ডিম্বাশয় থেকে বের করে আনা হয় ল্যাপারোস্কপি নামের এক পদ্ধতির মাধ্যমে। যে সব নারীর ডিম্ব উৎপাদনে সমস্যা, তাদের ক্ষেত্রে প্রথমে ডিম্ব উৎপাদনে সহায়তা করে এমন কিছু ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। ল্যাপারোস্কপি ছাড়াও যোনিপথে ছোট্ট একটি অপারেশনের মাধ্যমেও ডিম্বাণু সংগ্রহ করা যায়। সংগ্রহের পর ডিম্ব রাখা হয় টেস্ট টিউব অথবা বিশেষ ধরণের একটি পাত্রে যার নাম পেট্রিডিশ। এদিকে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

Image result for ivf পদ্ধতি
GOOGLE

পরে ডিম্বাণুসহ সেই ডিশ বা টিউবে শুক্রাণু রাখা হয়। এ সময় একটি ডিম্বাণুর বিপরীতে থাকে প্রায় পঁচাত্তর হাজার শুক্রাণু। এরপর ডিশ বা টিউবটি কয়েক ঘন্টা রাখা হয় ইনকিউবিটরে। ইনকিউবেটরের পরিবেশ রাখা হয় জরায়ুর অনুরূপ। এখানে উপযুক্ত শুক্রাণু আর ডিম্বাণুর নিষেকের ফলে মানব ভ্রুনের সৃষ্টি হয়। তারপর বিশেষ নলের সাহায্যে স্ত্রীর জরায়ুতে রাখা হয় ভ্রণটি। অনেক ক্ষেত্রে, ভ্রণকোষটি জরায়ুতে প্রতিস্থাপনের আগে বিশেষ প্রক্রিয়ায় হিমায়িত করে রাখা হয় কিছুদিন। বিশেষতঃ যাদের ক্ষেত্রে ডিম্ব উৎপাদন করা হয় ওষুধের সাহায্যে, তাদের জরায়ুর প্রকৃতি ঐ মাসিক চক্রে স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা কম থাকে। সে কারণে ভ্রণ প্রতিস্থাপনের জন্য পরবর্তী স্বাভাবিক মাসিক চক্রের জন্য অপেক্ষা করা হয়। সব ভ্রণ অবশ্য কাজে লাগানো হয় না। গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে এদের গুণগত মান পরীক্ষা করে স্কোরিং করা হয়। ভ্রণে কোষের সংখ্যা যথাযথ বৃদ্ধি ও বংশবৃদ্ধির গতির উপর ভিত্তি করে উপযুক্ত ভ্রণ বাছাই করা হয়।এই পদ্ধতিতে চিকিৎসায় সাফল্যের হার সব সময়েই একইরকম থাকবে এমনটি বলা যাবে না।

সামগ্রিকভাবে এ পদ্ধতিতে গর্ভধারণে সাফল্যের হার ১৫-৩০ শতাংশ। তাঁর মধ্যে থেকে ২৫-৩৫ বছরের মহিলাদের মধ্যে সাফল্যের হার ৩০-৪০%। ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫ থেকে ২০% এবং ৪০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে ১০ থেকে ১৫%।স্ত্রীর বয়স ছাড়াও সফলতার সম্ভাবনা শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর গুণগত মান, প্রজননে অক্ষমতার মেয়াদ, জরায়ুর স্বাস্থ্য ইত্যাদির উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।যখন কোন দম্পতি সন্তান পেতে পুরোপুরি সকল চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তাঁদের অনেকেই তখন টেস্ট টিউব বেবির কথা ভাবেন। চিকিৎসকরাও তাঁদের টেস্ট টিউব বেবি নেয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সন্তান লাভের এ প্রয়াসও যে শতভাগ সফল হবে সে ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত নন। তারপরেও অনেক নিঃসন্তান দম্পতিদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে এই টেস্ট টিউব বেবি।

Image result for NEW BORN BABY WITH MOTHER
GOOGLE

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

খুব বেশি কফি খান? খুব সাবধান, দেখা দিতে পারে এই সমস্যাগুলি

এক-আধ কাপ খেলে কোনও সমস্যা নেই, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত কফি পান করলে কী কী হতে পারে সেটা একবা…