Home লাইফস্টাইল পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায়!

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায়!

পিরিয়ড প্রত্যেক মাসে সব মেয়েরই হয়ে থাকে। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া যা প্রত্যেক মাসে হয়।এটি মেয়েদের শরীর গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়ও।এটি মেয়েদের শারিরীক সুস্থতার পরিচয় দেয়।তবে এই পিরিয়ডের সাথে সাথে কিছু কিছু মেয়েকে সহ্য করতে হয় অসহ্যকর ব্যথা।তবে সব মেয়েদের এই ব্যথা হয় না।কিন্তু এই ব্যথা কমানোরও কিছু উপায় আছে।সেই উপায়গুলি অবলম্বণ করলে কিছুটা হলেও অসস্তিকর ওই পাঁচ দিনে আরাম পাওয়া যাবে।

Web content writing training Online

দেখে নেওয়া যাক উপায়গুলো কিঃ

Source: Google

১) গরমজলে সেক দেওয়াঃ 

এই প্রক্রিয়া প্রায় সবাইকেই অবলম্বণ করতে দেখা যায়।পিরিয়ডের ব্যথা উঠলে সবার মাথায় আগেই চলে আসে গরম জলে সেক দেওয়ার কথা।এবং এতে কাজও হয় ভীষণ ভালো।পেট ব্যথায় প্রচন্ড কষ্ট পেলে হট ব্যাগে করে কিংবা কোণ কাঁচের বোতলে করে তলপেটে সেঁক দিন।দেখবেন আস্তে আস্তে ব্যথা কমে যাচ্ছে।

২) ল্যাভেন্ডার তেলের মালিশঃ 

ব্যথা কমাতে ল্যাভেন্ডার তেল বেশ ভালোই কাজ করে।পেট ব্যথার সময় এই তেল পেটে কয়েক ফোঁটা দিয়ে ম্যাসাজ করুন ।দেখবেন ব্যথা আস্তে আস্তে কমে মিলিয়ে গেছে।

৩) আদাঃ 

আদা এই ব্যাথা কমাতে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। শুধু ব্যাথা নয়, অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতেও সাহায্য করে আদা। তাই এই সময় ফুটন্ত গরম জলে আদা গ্রেট করে দিয়ে, সেই ফোটানো জলে একটু মধু ও একটু লেবুর রস দিয়ে সেটি খেতে পারেন। দিনে দু থেকে তিনবার খান। ব্যাথা থেকে উপকার পাবেন।

৪) তুলসীঃ 

তুলসী পাতা বেশ অনেক শারীরিকঅ সমস্যাই মেটাতে সাহায্য করে।এই ক্ষেত্রেও আছে তার ভূমিকা।এক কাপ গরম জলে দু-তিন চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে সেই জলটা সেবন করতে হবে।ব্যথা কমাতে গেলে এইটিকে দিনে দুই থেকে তিনিবার খেতে হবে।এছাড়াও কাঁচা তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলেও পিরিয়ডের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৫) দারচিনিঃ 

দারচিনিও পিরিয়িডের সময় হওয়াকালীন তলপেটের ব্যথা কমাতে দারূণ উপযোগী।এক গ্লাস গরম জলে একটু দারচিনির গুড়ো ও মধু মিশিয়ে খেলে পিরিয়ডের ব্যথা থেকে মেলে আরাম।

৬) স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস করতে হবেঃ 

এইসময় দেহে জলের অভাব দেখা যায়। তাই এই সময় জল বেশি করে পান করুন। জল জাতীয় খাবার খেতে হবে বেশি করে। আর প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

৭) কফি সেবন একেবারে বারণঃ

কফিতে থাকে প্রচুর মাত্রায় ক্যাফাইন যা এই ব্যথা বাড়াতে সাহ্যায্য করে।তাই কফি বা ক্যাফাইন আছে এমন কোণ দ্রব্য না খাওয়াই ভালো।

৮) স্নানের সময় সেক দেওয়াঃ 

এছাড়াও একরকম বিশেষ পদ্ধতি আছে স্নান করার সময় এটি করতে পারেন। সেটি হল একটি বড়ো জায়গায় গরম জল নিয়ে তার মধ্যে কোমর ডুবিয়ে ৪ থেকে ৫ মিনিট বসে আবার ঠাণ্ডা জলের একটি জায়গায় আরও দু থেকে তিন মিনিট বসতে হবে। যদি গামলা হয় তাহলে কোমরটি শুধু গামলায় রেখে পা থাকবে বাইরে। অর্থাৎ গামলার ভেতর কোমরটি রেখে বসতে হবে। এভাবে আধঘণ্টা করতে পারেন। শুধু জল বা জলে একটু নুনও দিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে জল যেন খুব গরম না হয়। হালকা গরম।

সামান্য এই কয়েকটা উপায় মেনে চললেই মুক্তি মিলবে প্রত্যেক মাসের সেই অস্বস্তিকর ব্যথা থেকে।তাই পিরিয়ডের ব্যথাকে আর ভয় নয় এসে গেছে সেই ব্যথাকে জয় করার সময়।

আরও পড়ুনঃরান্নাঘর এখন থাকবে ঝকঝকে! জেনে নিন উপায়

 

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

পুজো হবে, নাকি হবে না ! দোটানায় কলকাতার আবাসনের দুর্গা পুজো !

 হবে, নাকি হবে না? কলকাতার আবাসনে এটাই পুজোর ভাবনা। আবাসনের অনেক আবাসিক দোটানায়! কেউ কেউ …