Home বাংলাদেশের খবর রেলস্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়, অবিক্রীত টিকিট মঙ্গলবার

রেলস্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়, অবিক্রীত টিকিট মঙ্গলবার

বরাবরের মত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয় এবং আজ শেষ হচ্ছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। জুনের ৪ তারিখের টিকিট বিক্রি হবে আজ। টিকিট বিক্রির শেষ দিনে টিকিট ক্রয়ের জন্য রেলস্টেশনে মানুষের উপচেপড়া ভিড়।

Web content writing training Online

অগ্রিম টিকিট পাওয়ার জন্য মানুষের ২০-২২ ঘন্টার মত মানুষকে লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মানুষের যে পরিমান চাহিদা তার তুলনায় আসন সংখ্যা অনেক কম তাই অনেক চেষ্টার পরেও টিকিট পাচ্ছে না অনেকেই।

তবে শেষবারের মত সুযোগ একটা থাকছে। ২২ তারিখ থেকে শুরু হয়ে আজ পর্যন্ত অনলাইনে ও কাউন্টারে যেসব টিকিট বিক্রি হয়নি সেসব টিকিট ২৮ মে থেকে পুনরায় অ্যাপ ও কাউন্টারে বিক্রি শুরু হবে।

এদিকে ‘রেলসেবা’ অ্যাপ নিয়ে মানুষের রয়েছে অনেক অভিযোগ। যেমন অ্যাপ ধীরগতিতে চলে, কিছু মানুষের টাকা কেটে নিলেও টিকিট পাচ্ছে না এবং টাকাও ফেরত পাচ্ছে না।

রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ ব্যাপারে জানায় অ্যাপ এবং কাউন্টারের মাধ্যমে টিকিট না পাওয়ার যে অভিযোগটি রয়েছে তা সত্য নয়। আমরা প্রতিনিয়ত টিকিট বিক্রি করছি। সিমিত টিকিটের কারনে সবাইকে কাউন্টার থেকে টিকিট দেয়া যাচ্ছে না এবং অ্যাপেও প্রচন্ড চাপ রয়েছে। একসাথে ৩ লাখের মত ট্রাফিক আসছে অ্যাপে তাই একটু সমস্যা হচ্ছে। এদের মধ্যে কিছু শতাংশ লোক টিকিট কাটতে পারছেন অ্যাপের মাধ্যমে। যাদের টাকা কেটে নেয়া হয়েছে, কিছুদিনের মধ্যেই তাদের টাকা তাদের নম্বরে চলে যাবে।

ই-সেবার সিএনএস-বিডি লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মেজর (অব.) মো. জিয়াউল আহসান সরোয়ার বলেন,সীমিত টিকিটের বিপরিতে কেউ অ্যাপে ঢুকতে না পারলে সেটা সিএনএসের কোনো দুর্বলতা নয়। টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়মের কোন সু্যোগ নেই। টিকিট বিক্রির অর্থের সাথে সিএনএসের সম্পর্ক নেই।

অ্যাপ ধীরগতিতে চলার এবং টাকা কেটে নিয়েও টিকিট না পাওয়ার অভিযোগের বিপরীতে জিয়াউল আহসান সরোয়ার বলেন, ধীরগতি নয়, যারা অ্যাপে ঢুকতে পারছে তারা দ্রুত টিকিট কিনতে পারছে আর যারা ঢুক্তে পারছে না তাদের ক্ষেত্রে একটু বিলম্ব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন,’টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা রাখার জন্য কমলাপুর রেলস্টেশনে ডিজিটাল ডিসপ্লে লাগানো হয়েছে। কতগুলো টিকিট বিক্রি হচ্ছে, কে নিয়েছে তার মোবাইল নম্বর সহ সকল তথ্য রয়েছে সিএনএসের কাছে।

এদিকে যাত্রীদের প্রশ্ন- প্রতিদিন ৭ হাজার ৪৯০টি টিকিট কেন প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। অ্যাপে বিক্রিত টিকিট ডিজিটাল ডিসপ্লেতে দেখালেও কাউন্টারে যেসব টিকিট বিক্রি হচ্ছে সেগুলো কেনো ডিজিটাল ডিসপ্লেতে দেখানো হচ্ছে না।

100% Free Domain Hosting - Dreamhost banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

বগুড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে কনেকে ‘অপহরণচেষ্টা’

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে কনেকে অপহরণচেষ্টার অভিযোগ দুইজন আটক হয়েছেন। এছাড়া …